মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস

১৯৮৪ইং সনে নিকার এর সিদ্ধান্ত মোতাবেক পাবর্ত্য জেলা বাদে সারা দেশেকে ১০টি জোনে বিভক্ত করা হয়। বৃহত্তর নোয়াখালীকে নোয়াখালী জোনাল সেটেলমেন্ট নাম করনে ১৯৮৬-১৯৮৭ মাঠ জরিপ বর্ষে কার্যক্রম আরম্ভ করা হয়। সাব জরিপ বর্ষে কার্যক্রম আরম্ভ করা হয়। ভূ-সংক্রান্ত  সংশ্লিষ্ট নানাবিধ তথ্য অত্র কার্যালয়ে প্রদান করা হয়।  উক্ত অফিসে প্রধানত জরিপ কাজ করা হয়। অত্র নিদিষ্ট সময় ও আবেদনের আলোকে জরিপ সংক্রান্ত সমস্যাগুলি সুচারু রুপে সম্পাদন করা হয়।

  • কী সেবা কীভাবে পাবেন
  • প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা
  • সিটিজেন চার্টার
  • সাধারণ তথ্য
  • সাংগঠনিক কাঠামো
  • কর্মকর্তাবৃন্দ
  • তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • ডাউনলোড
  • আইন ও সার্কুলার
  • ফটোগ্যালারি
  • প্রকল্পসমূহ
  • যোগাযোগ

সেবা দান পদ্ধতি

সরজমিন মোতবেক সংশ্লিষ্ট ভূমির মালিকে একটি খসড়া খতিয়ান সরবরাহ করা হয়।

পরিবার ভিত্তিক খতিয়ান প্রস্তুত করে ভূমি মালিকগণের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

উক্ত কাজটি তসদিক কর্মকর্তা দ্বারা সম্পন্ন করা হয়।

নির্ধারিত কোর্ট ফি জমা দিয়ে নির্ধারিত ফরমে আপত্তি দাখিল করলে অফিস হতে সংশ্লিষ্ট নাগরিককে একটি রিসিট প্রদান করা হয়ে থাকে।

আপীল নিষ্পত্তির পর পক্ষগন মামলার রায়ের কপি প্রাপ্তির জন্য 10/- টাকার কোর্ট ফি ও ফলিও দিয়ে আবেদন করে সহি মোহরার নকল সরবরাহ করা হয়। যাহা কোর্ট ফি আকারে নিম্নলিখিতভাবে গ্রহন করা হয়।

ক. আবেদনপত্র- 10.00

খ. নকল (শব্দ)

০০১

৩৬০২.৫০
৩৬১৭২০৫.০০
৭২১১০৮১৭.৫০
১০৮২১৪৪০১০.০০
১৪৪১১৮০০১২.৫০
১৮০১২১৬০১৫.০০
২১৬১২৫২০১৭.৫০
২৫২১২৮৮০২০.০০

 

এক্ষেত্রে একজন সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের স্বাক্ষরে বর্ণিত খতিয়ান ও নকশা সরবরাহ করা হয়।

ক্রমিক নং

প্রদেয় সেবার বিবরণ

সেবা প্রদান সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ও ফি

সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি

সেবার মানদন্ড

সেবা দান পদ্ধতি

1.       

জরিপ কাজ গুরুর  পূর্বে স্থানীয় এলাকায় মাইকিং ও পত্রিকা বিজ্ঞাপনসহ ভূমি মালিকগণের মধ্যে ব্যাপক গণসংযোগ এবং জমির আইল/ সীমানা চিহ্নিত করার জন্য অবহিত করা হয়।

সংশ্লিষ্ট ভূমির কাগজপত্র, খাজনার দাখিলা ইত্যাদি প্রদর্শন করে মৌসুমী আমিনকে সহায়তা করা। এ পর্যায়ে কোন সরকারী ফিস লাগেনা।

S.S মানুয়েল- 1935 SA & T Act 1950 EBT Rules 1954-55 Tchnical Rules 1957 ইত্যাদি বিধি মোতাবেক কাজ পরিচালনা করা হয়।

প্রতিটি ভূমির প্লটে দিয়ে প্লটের এরিয়া নির্ণয় করা এবং এবং দখল নোট করা হয়। পরিবার ভিত্তিক খতিয়ান প্রস্তুত করা হয়।

সরজমিন মোতবেক সংশ্লিষ্ট ভূমির মালিকে একটি খসড়া খতিয়ান সরবরাহ করা হয়।

2.       

বর্তমান ডিজিটাল পদ্ধতিতে জরিপ কাজ পরিচালার জন্য সরকারী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ পদ্ধতিতে কিস্তোয়ার, খানাপুরী ও বুজারত কাজ একই সাথে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সংশ্লিষ্ট ভূমির কাগজপত্র, খাজনার দাখিলা ইত্যাদি প্রদর্শন করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/ কর্মচারীকে সহায়তা করা। এ পর্যায়ে কোন সরকারী ফিস লাগেনা।

ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্লটে গিয়ে প্লটের এরিয়া নির্ণয় করা এবং দখল নোট করা হয়। পরিবার ভিত্তিক খতিয়অন প্রস্তুত করে ভূমি মালিকগণের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

প্রতিটি ভূমির প্লটে গিয়ে প্লটের এরিয়া নির্ণয় করা এবং দখল নোট করা হয়। পরিবার ভিত্তিক খতিয়ান প্রস্তুত করে ভূমি মালিকগণের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

পরিবার ভিত্তিক খতিয়ান প্রস্তুত করে ভূমি মালিকগণের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

3.       

তসদিক পর্যায়ের কাজ আরম্ভ করার পূর্বে সকল অপিস আদালত স্থানীয় স্কুল/মসজিদ/মাদ্রাসাসহ সকল প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রচারনার পর উক্ত স্তরের কাজ শুরু করা হয়।

এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ভূমি মালিককে তার ভূমি সংক্রান্ত দলিল/দস্তাবেজ/ খাজনার দাখিলাসহ মাঠ পর্যায়ে প্রাপ্ত খতিয়ানসহ নির্ধারিত তারিখে উপস্থিত হতে হয়।  এ পর্যায়ে কোন ফিস প্রয়োজন হয় না।

প্রজাস্বত্ব বিধিমালায় 1955 এর 28 নং বিধি মোতাবেক একজন রাজস্ব ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সকল কাগজপত্র পরীক্ষা/নিরিক্ষা করে তাসদিক কার্য সম্পাদন করেন।

একজন রাজস্ব ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সকল কাগজপত্র পরীক্ষা নিরীক্ষা করে এ পর্যায়ের খতিয়ানটি সত্যায়ন করেন।

উক্ত কাজটি তসদিক কর্মকর্তা দ্বারা সম্পন্ন করা হয়।

4.       

তসদিক সমাপ্তির পর তসদিক কাজটি যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছে কিনা তা দেখার জন্য 30 কার্যদিবস নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত থাকে।

উক্ত সময়ে সংশ্লিষ্ট নাগরিক তসদিককৃত খতিয়ানটি অফিসে রক্ষিত মূল ভলিউমের সাথে মিলিয়ে নিতে পারেন। কোন প্রকার ভুল/ভ্রান্তি দেখা দিলে তা সংশোধণের জন্য আপত্তি দাখিলের ব্যবস্থা নিবেন এবং 20/- টাকার কোর্ট ফিসহ আবেদন করতে হবে।

প্রজাস্বত্ব বিধিমালার 30 বিধি মোতাবেক একজন সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার এর ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুনানী দিয়ে নিষ্পত্তি করেন। সংশ্লিষ্টদেরকে নোটিশের মাধ্যমে অবগতি করানো হয়।

আপত্তি মামলা নিষ্পত্তির পর কোন পক্ষ সংক্ষুব্দ হলে আপত্তি মামলার সহি মোহরাব নকল নিয়ে পরবর্তী স্তরের আশ্রয় নেয়া যায়।

নির্ধারিত কোর্ট ফি জমা দিয়ে নির্ধারিত ফরমে আপত্তি দাখিল করলে অফিস হতে সংশ্লিষ্ট নাগরিককে একটি রিসিট প্রদান করা হয়ে থাকে।

5.       

আপত্তির রায়ে সংক্ষুব্দ নাগরিক আপত্তি মামলার রায়ের কপি সংগ্রহ করে 31 বিধি মোতবেক আপীল মামলা দায়ের করবেন

আপীল অপিসার অর্থাৎ সিনিয়র সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার আপীল মামলার পক্ষগনকে নোটিশ  দিয়ে কাগজপত্র পরীক্ষা নিরীক্ষা করে মামলা নিষ্পত্তি করবেন। আপীল মামলা দায়ের করতে আপত্তির রায়ের সহি মোহরাব নকল নির্ধারিত ফরমে আবেদন ও 20/- টাকার কোর্ট ফি দিতে হবে।

প্রজাস্বত্ব বিধিমালা 1955 এর 31 বিধিমতে দায়েরকৃত আপীল মামলা নিষ্পত্তি করা হয়।

আপীল অফিসার পক্ষগনকে দলিল/দস্তবেজের /দখল ইত্যাদি পুঙ্খানুপুংখ্যভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে নিষ্পত্তি করে থাকেন।

আপীল নিষ্পত্তির পর পক্ষগন মামলার রায়ের কপি প্রাপ্তির জন্য 10/- টাকার কোর্ট ফি ও ফলিও দিয়ে আবেদন করে সহি মোহরার নকল সরবরাহ করা হয়। যাহা কোর্ট ফি আকারে নিম্নলিখিতভাবে গ্রহন করা হয়।

ক. আবেদনপত্র- 10.00

খ. নকল (শব্দ)

001

360

2.50

361

720

5.00

721

1081

7.50

1082

1440

10.00

1441

1800

12.50

1801

2160

15.00

2161

2520

17.50

2521

2880

20.00

 

6.       

31 সমাপ্তির পর চুড়ান্ত যাঁচ শেষে মুদ্রণের জন্য প্রেসে প্রেরণ করা হয়। প্রেস হতে রেকর্ড নকশা প্রাপ্তির পর তা জনগণের মধ্যে বিতরন করা হয়।

এক্ষেত্রে কোন কাগজপত্র প্রয়োজন হয় না। এক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত প্রতিটি মুদ্রিত খতিয়ান 60/- এবং প্রতিটি মুদ্রিত নকশা 350/- টাকা জমা দিয়ে অফিস থেকে সংগ্রহ করা যায়।

প্রজাস্বত্ব বিধিমালার 1955 এর 34 বিধি মোতাবেক উক্ত কাজ সম্পন্ন করা হয়।

এক্ষেত্রে ভূমি মালিকগণকে তাদের নিকট রক্ষিত হয়ে মুদ্রিত খতিয়ান ও নকশা গ্রহন করতে হয়।

এক্ষেত্রে একজন সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের স্বাক্ষরে বর্ণিত খতিয়ান ও নকশা সরবরাহ করা হয়।

ছবি নাম মোবাইল
এস এম রেজাউল করিম 0

ছবি নাম মোবাইল
এস এম রেজাউল করিম 0

ছবি নাম মোবাইল

0

উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসার

উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস।

চাটখিল উপজেলা কমপ্লেক্স
চাটখিল, নোয়াখালী।